॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
জাতির জনকের সহধর্মিনী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এর জন্মদিন উপলক্ষ্যে রাঙ্গামাটি জেলা কারাগারে অবস্থানরত আসামী ও কয়েদীর মাঝে উন্নত মানের খাবার বিতরণ করেছে খাদ্য মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি দীপংকর তালুকদার এম পি’র। গতকাল রাঙ্গামাটি কারা বন্দীদের মাঝে এই খাবার বিতরণে মধ্যে দিয়ে দীপংকর তালুকদার এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন।
কারাবন্দীদর কাবার বিতরণ সম্পর্কে খাদ্য মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি দীপংকর তালুকদার এম পি বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও দেশের ক্রান্তি লগ্নে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর পাশে থেকে সাহস ও প্রেরণা বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব যুগিয়েছেন। তার এই সাহস ও পাশে থাকা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক জীবনের কঠিনতম সময়ে সহযোদ্ধা হয়ে বেগম মুজিব জাতীয় মুক্তি সংগ্রামকে বেগবান করেছেন। তিনি বলেন, বঙ্গমাতা ছিলেন নির্লোভ, নিরহঙ্কারী ও পরোপকারী। পার্থিব বিত্ত-বৈভব বা ক্ষমতার জৌলুস কখনও তাঁকে আকৃষ্ট করতে পারেনি। বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব যে আদর্শ ও দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন, তা যুগে যুগে এদেশের নারীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
তিনি আজ রবিবার বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এর জন্ম দিন উপলক্ষ্যে এক বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।
এ উপলক্ষ্যে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের নির্দেশনায় রাঙ্গামাটির অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এস এইচ এম মাগফুরুল হাসান আব্বাসীর নেতৃত্বে কারা পরিদর্শক দল রাঙ্গামাটি কারাগারে নারী পুরুষ আসামী ও কয়েদীদের সুষ্ঠুভাবে খাবার বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপন্থিত ছিলেন, রাঙ্গামাটি জেল সুপার মতিয়ার রহমান, জেলার মো: বাহারুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার হাসান মোহাম্মদ সোয়াইব, সহকারী কমিশনার মো: আবদুর রহমান সহ বেসরকারীকারা পরিদর্শকরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, আজ রবিবার রাঙ্গামাটি জেলা কারাগারে মোট আসামী ও কয়েদীর সংখ্যা ছিল ২৪৯ জন। তন্মধ্যে পুরুষ ২৪১ জন এবং নারী ৮ জন।
রবিবার ৮ আগষ্ট বঙ্গমাতার জন্মদিন উপলক্ষ্যে সাংসদ দীপংকর তালুকদার প্রদত্ত একবেলার খাবার তৈরী করেন বাবুর্চি তরিকুল ইসলাম ( তিনি বর্তমানে রাঙ্গামাটি কারাগারে অবস্থানরত একজন কয়েদী)। খাবারের মধ্যে ছিল খাসীর মাংস, পোলাও ভাত, ডিম, সালাদ, কোক ইত্যাদি।

